অনলাইনে ইনকাম (Online Income) করার সহজ উপায়: অনলাইনে আয়ের বাংলাদেশী সাইট

আমরা আপনার সময় এবং শ্রমের বিষয় বিবেচনা করে খুব সহজে ইনকাম করার সুযোগ করেছি। আপনি দুটি ধাপে কাজ করে  আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেন।
প্রথম : আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে যেকোনো ভিডিও এবং আর্টিকেল শেয়ার করার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন
দ্বিতীয় : বাংলায় ইউনিক আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন
 

আপনার আর্টিকেল বা শেয়ার করা পোস্ট টি ভিউ হলে, প্রতি ১০০০ ভিউতে ৯ ডলার এবং এবং ৬০% পর্যন্ত রেফারেল ইনকাম করতে পারবেন।

পেমেন্ট (টাকা) নেওয়া যাবে, মোবাইল রিচার্জ, বিকাশ ও নগদ এর মাধ্যমে। সর্বনিন্ম 0.25$ (২০ টাকা) মোবাইল রিচার্জ , 5$ (৪০০ টাকা) বিকাশের মাধ্যমে নিতে পারবেন।  ১ ডলারের জন্য ৮০ টাকা এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রদান করা হবে। 

 

 

আমাদের সাথে কেন যুক্ত হবেন, কি কি সুযোগ-সুবিধা

 
প্রশ্ন: উপার্জন কিভাবে হয়?
উত্তর: ভিউয়ের উপর উপার্জন হয়, যত বেশি দেখা হবে তত  উপার্জন সম্ভব।
 
প্রশ্ন: কিভাবে ১০০০ ভিউতে ৯ ডলার এবং ৬০% রেফার আর্নিং ?
উত্তর:  আপনার আর্টিকেলটি ১০০০ ভিউ হলে  আপনি অথর হিসেবে পাবেন সর্বোচ্চ ৩ ডলার এবং আপনি আর্টিকেলটি শেয়ার করলে পাবলিশার হিসেবে পাবেন সর্বোচ্চ ৬ ডলার, অর্থাৎ সর্বোমোট ৯ ডলার। অনুরূপ ভাবে রেফারের ক্ষেত্রেও ৩০% + ৩০% অর্থাৎ সর্বোমোট ৬০%
 
প্রশ্ন: কি ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে?
উত্তর: আমরা বাংলাদেশী মেম্বারদের জন্য কিছু সুবিধা দিয়েছি, যেমনঃ 
  • বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্ছ পেআউট রেট
  • বাংলায় সর্বনিম্ম ৩০০ ওয়ার্ড আর্টিকেল সাবমিট
  • সর্বনিম্ন ২০ টাকা (0.25$) মোবাইল রিচার্জ
  • বিকাশ ও নগদ ৪০০ টাকা (৫$) পেমেন্ট

প্রশ্ন: লেখক হিসেবে কি সুবিধা রয়েছে?

উত্তর: হ্যাঁ , সুবিধা রয়েছে।  যে কেউ, এই ওয়েবসাইট থেকে যেকোন ভিডিও এবং আর্টিকেল শেয়ার করে আয় করতে পারবে তাই আপনার আর্টিকেল টি শেয়ার করলে প্রতি ভিউতে আপনার আয় হবে। 

 
প্রশ্ন: আর্নিং ট্রান্সফার করা যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ , আপনি পাবলিশার একাউন্ট থেকে অথর একাউন্টে  আর্নিং ট্রান্সফার করতে পারবেন। 
 
প্রশ্ন: উপার্জনের তথ্য দেখানাে হয় ?
উত্তর: হ্যাঁ, উপার্জনের তথ্য সম্পূর্ণভাবে নিজের প্রোফাইলে দেখা যায়। 
 
প্রশ্ন: লেখা নির্বাচিত না হলে কি সেই লেখা আমরা জমা করে রাখি ?
উত্তর: না, লেখা নির্বাচিত না হলে তা সঙ্গে সঙ্গে ডিলিট করে দেওয়া হয়৷

 

কিভাবে লিখবেন এবং শেয়ার করবেন?

কিভাবে ভিডিও এবং আর্টিকেল শেয়ার করবেন নিচে বটনে ক্লিক করে পড়ুন । 
 
 
 
 
কিভাবে আর্টিকেল লিখবেন নিচে বটনে ক্লিক করে পড়ুন
 
 
 

ভিডিও

নিচে বটনে ক্লিক করে ভিডিও দেখুন 

 

 

পেমেন্ট-প্রুফ

পেমেন্ট-প্রুফ নিচে বটনে ক্লিক করে দেখে নিন

 

আর্টিকেল লেখার নিয়মাবলী

১) লেখা সম্পূর্ণভাবে নিজস্ব ভাষায় লিখতে হবে। লেখা কোন ভাবে অন্য কোন জায়গা থেকে কপি করা চলবে না এবং লেখার কোন ভাগ জেন অন্য কোন জায়গায় না পাওয়া যায়। নিজের ভাষায় সাজিয়ে লিখতে হবে। ভুল তথ্য, অভদ্র, অশ্লীল, উস্কানিমূলক, কটুক্তি ইত্যাদি ধরণের লেখা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। প্রতিটি লেখা সম্পাদকের দ্বারা যাচাই করার পর প্রকাশিত করা হয়।

২) আবশ্যক ভাবেই লেখা সরল ভাষায় এবং পাঠকদের জন্য পাঠকপ্রিয় ও উপভােগ্য হতে হবে। বিশ্বজুড়ে এই পত্রিকা পাঠকগণ পাড়েন তাই ভাষার থেযাল রাখতে হবে।

৩) লেখায় মূলবিষ্য সুন্দরভাবে তুলে আনতে হবে। মূল বিষয়ের বাইরে যাওয়া যাবে না। প্রতিটি লেখায় একটি সুন্দর সূচনা ও উপসংহার দিয়ে লেখাটিকে পাঠকদের জন্য আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।

৪) একটি লেখার মধ্যে সর্বনিম্ন ৩০০ শব্দ হতেই হবে। এছাড়া সর্বোচ্চ শব্দের কোন সীমা নেই। শব্দের সীমার সমতুল্য লেখা হলে তবেই তা প্রকাশ করা হবে অন্যথা ছােট লেখা রিজেক্ট করে দেওয়া হবে। ক্যাটাগরি বাহিরে বিষযগুলির সম্পর্কে লিথে সময় নষ্ট করবেন না, কারণ এই লেখাগুলি তৎক্ষণাৎ ডিলিট করে দেওয়া হবে।

৫) রচনার মত লেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। লেখা পযেন্ট আকারে লিখতে হবে, প্রতিটি ভাগের একটা করে হেড লাইন দিতে হবে। দরকার অনুসারে লেখাতে তথ্যসূত্র দিতে হবে। 

৬) আমাদের ওযেবসাইটে জমা দেওযা লেখা অন্যত্র কথাও (ডিজিটাল মিডিয়া বা প্রিন্ট মিডিয়া) প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমাদের ওয়েবসাইটে লেখা প্রকাশিত হবার পর সেই লেখা সম্পূর্ণভাবে আমাদের সম্পত্তি হিসাবে মান্য হবে যা অন্যত্র প্রকাশ করা যাবে না। আপনার লেখা প্রকাশ করা লিংক শেয়ার করতে সকলকে নিজের লেখার সাথে যােগ দিতে পারবেন।

৭) লেখা এপ্রুভ  করার সমস্ত অধিকার কেবলমাত্র সুবিধায় কর্তৃপক্ষের কাছে সুরক্ষিত। আমাদের চেষ্টা সর্বদা সকলের লেখা প্রকাশ করা যদি সেই লেখা আমাদের নিয়ম অনুসরণ করে।

৮) আপনার লেখা নির্বাচিত না হলে তা ডিলিট করে দেওয়া হয়। এই লেখা কোনাে ভাবে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে না। ঠিক সেই ভাবে আমাদের ওযেবসাইটে আপনার দ্বারা প্রকাশ করা তথ্য অন্যত্র কোথাও প্রকাশ করা অপরাধ হিসাবে মান্য হবে। নিজের দায়িত্ব নিয়ে কোন বিষয়ে লিখবেন।

৯) নিজের ইনকাম বরাবর চালানাের জন্য প্রতিমাসে কমপক্ষে ২ টি লেখা প্রকাশিত করতেই হবে। যদি মাসে সর্বনিম্ন লেখা প্রকাশিত না হ্য তাহলে ইনকাম অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে।

নিয়মাবলী তে পরিবর্তন কর্তৃপক্ষ দ্বারা যে কোন সময়ে আবশ্যক হিসাবে হতে পারে।

 

কিভাবে আর্টিকেল জমা দিবেন। 

প্রথমে অথর একাউন্ট তৈরী করুন, এজন্যে  https://blog.subidhay.com হোমপেজের উপরে ডান দিকে “ Register ” ট্যাব এ ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করুন। এবং " Login " ট্যাব এ ক্লিক করে লগইন  করুন।

ডেসবোর্ডের  "Add Article" অপশন এ ক্লিক করে পেজের অপশন গুলো পূর্ণ করুন  । 

 

অথর পেআউট রেট

আমরা কান্ট্রি অনুযায়ী অথর পেআউট রেট  সেট করেছি , অর্থাৎ  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০০০ ভিউ হলে  ডলার, বাংলাদেশ থেকে ৩ ডলার এবং  অন্যান্য দেশ থেকে  পেআউট রেট অনুযায়ী ডলার আর্নিং হবে। এছাড়া % রেফার আর্নিং। 

Country Earnings per 1000 Views
United States $3.000
Bangladesh $3.000
Canada $2.500
United Kingdom $2.500
Australia $2.500
Greenland $2.500
Belgium $2.000
France $2.000
Germany $2.000
New Zealand $2.000
South Africa $2.000
India $2.000
Spain $2.000
Sweden $2.000
Ireland $2.000
Italy $2.000
Saudi Arabia $1.500
Malawi $1.500
Switzerland $1.500
Brazil $1.500
Benin $1.500
Estonia $1.500
Egypt $1.500
Finland $1.500
United Arab Emirates $1.500
Thailand $1.500
Austria $1.500
Iceland $1.500
Indonesia $1.500
Netherlands $1.500
Mozambique $1.500
Korea, Republic of $1.500
Mexico $1.500
Taiwan, Province of China $1.500
Worldwide Deal(Other Countries) $1.000

 

পেমেন্ট মেথড

 সর্বনিন্ম 0.25$ (২০ টাকা) মোবাইল রিচার্জ , 5$ (৪০০ টাকা) বিকাশের মাধ্যমে নিতে পারবেন।  ১ ডলারের জন্য ৮০ টাকা এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার টাকা প্রদান করা হবে।

Withdrawal Method Minimum Withdrawal Amount
Mobile Recharge $0.250
bKash $5.000
Nagad $5.000
Webmoney $20.000
Payeer $20.000

 

 

ভিডিও

 

 

 

 

 

 

অনলাইনে ইনকাম এর অন্যান্য কয়েকটি উপায়

 

শর্ট লিংক শেয়ার করে আয়

আপনি ফেসবুকে ভিবিন্ন ওয়েব সাইটের শর্ট লিংক শেয়ার করে ইনকাম করতে পারবেন। ধরুন আপনি একটি ডাউনলোড লিংক শেয়ার করতে চাচ্ছেন এখন আপনি ঐ লিংকটা শর্ট লিংক করার ওয়েব সাইটের মাধ্যমে শর্ট করে আপনি আপানার ফেসবুকে আইডিতে প্রচার করলেন । এতে করে আপনার লিংকে ক্লিক করে যদি কেউ ডাউনলোড করে তবে আপনি নির্দিষ্ট কিছু এমাউন্ট পাবেন ।

জনপ্রিয় শর্ট লিংক সাইট ২০২১ঃ

 

 ফ্রিলান্সিং (Freelancing) করে আয়

অনলাইনে যে পদ্ধতিতে সবথেকে বেশি মানুষ রোজগার করে সেটি হলো ফ্রিলান্সিং। বাংলদেশের বেকারত্ব কমাতে এই খাতটি অনেক বড় ভুমিকা পালন করছে এবং সাথে সাথে অনেক দক্ষ মানুষ এই খাতে কাজ করে আমাদের দেশকে রিপ্রেসেন্ট করছে ।

এখন আসি কিভাবে শুরু করবেন এই কাজ। ফ্রিলান্সিং বলতে মুলত বিভিন্ন ধরনের কাজ যে কাজে আপনি দক্ষ সে কাজটি একটি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক এর বিনিময়ে করে দেয়া।

এখানে আপনার কাজ করার এবং আপনার যে ইমপ্লয়ার (Employer) তার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নাই। আপনি ঘরে বসেই আপনার কাজ সম্পাদন করতে পারবেন এবং আপনার ক্লায়েন্ট হবে বিভিন্ন দেশের। সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে থাকবে।

যাহোক, সবার প্রথমে এখানে আপনার দরকার একটি নির্দিষ্ট বিষয় দক্ষতা। এটা হতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং (Graphics Design), হতে পারে ফটো এডিটিং (Photo Editing), হতে পারে ওয়েব ডিজাইনিং (Web Design), ওয়েব সাইট মেকিং (Website Making), কপি রাইটিং (Copywriting), কন্টেন্ট রাইটিং (Content Writing), লোগো ডিজাইন (Logo Design), ইত্যাদি।

এসবের যেকোনো একটি কাজে আপনি দক্ষতা অর্জন করতে পারলেই আপনি ফ্রিলাঞ্চিং করতে পারবেন। আপনি যদি একাধিক কাজ পারেন সেক্ষেত্রে আপনার টাকা ইনকামের সুযোগ বেশি হয়ে যায়।

কাজ শেখার পর আপনাকে বিভিন্ন ফ্রিলান্সিং সাইটে (যেমন- Freelancer, Upwork, Fiver, ইত্যাদি)  আপনার তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এর পরে আপনি কোন কোন কাজে পারদর্শী সেগুলো ওই সাইটে মেনশন করে দিতে হবে।

 

ই-কমার্স সাইট থেকে আয় ইনকাম

ই-কর্মাস সাইট মানে হলো একটি অনলাইন দোকান।আপনার বাসার পাশের মুদি দোকানে যেমন বিভিন্ন আইটেম সাজানো গোছানো থাকে লোকজন দোকনে আসে এবং মালামাল কিনে । ঠিক তেমনি অনলাইনে এরকম দোকান কে বলে ই-কর্মাস সাইট ।

ই-কর্মাস সাইট থেকে কিভাবে আয় করবো ?

ই-কর্মাস শুরু করতে হলে আপনার একটি ওয়েবসাইট প্রয়োজন যেখানে আপনি আপনার পন্যগুলি  মুদি দোকানের মত সাজিয়ে গুছিয়ে রাখবেন । ক্রেতা বা ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে পন্য দেখবে এবং অর্ডার করবে।

প্রথম অবস্থায় আপনি একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যেমে একটি ই-কার্মাস বিসনেস শুরু করতে পারেন। এবং সেটা আপনি মোবাইল দিয়েও করতে পারবেন।

আপনি যে প্রোডাক্ট নিয়ে বিসনেস করতে চান সেই প্রোডাক্ট রিলেটেড একটি নাম দিয়ে ফেসবুক পেজ খুলবেন । এবং সেখানে আপনার প্রোডাক্টোর ছবি দাম সহ বিস্তারিত লিখে রাখবেন।ফেসবুক পেজে আপনার প্রোডাক্টের বিস্তারিত পোষ্ট হলে আপনি আপনার  পেজেটিতে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করবেন । এভাবে পেজে ভিজিটর বাড়লে আপনার বিক্রিও বাড়বে । ঠিক অফলাইনে যেমন নতুন কোন দোকান উদ্ভোদন হলে কত ধরনের  পোস্টারিং, লিফলেট, মাইকিং সহ কত রকমের প্রচারনা হয় শুধু মাত্র দোকানের কাস্টমার বাড়ানোর জন্য দোকান চেনানের জন্য। ঠিক অনলাইনেও যখন আপনি একটি ই-কর্মাস সাইট বানাবেন , আপনাকে আপনার সাইট প্রচার করতে হবে ভিজিটরদের কাছে আর যখন আপনার সাইটে ভিজিটর আসবে তখন আপনার বিক্রি হবে ইনকাম হবে।

 

ইউটিউবিং করে আয়

বাংলাদেশের অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে। এদের কারো কারো মাসের ইনকাম ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আপনিও কিন্তু চাইলেই ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে ইনকাম করা শুরু করতে পারেন।

এই ভিডিও বানাতে আপনার ক্যামেরা না থাকলেও চলবে। প্রথমে অনেক বড় বড় ইউটিউবার-ই মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে শুরু করে তাদের ইউটিউব যাত্রা। তারপরে সফল হওয়ার পরে এখন তারা দামি দামি গেজেট ব্যবহার করে।

আপনার কন্টেন্ট যদি ভালো থাকে, প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে যদি আপনি ভিডিও বানাতে পারেন, তাহলে খুব তাড়াতাড়িই আপনি ভিউয়ার পেয়ে যাবেন।

ইউটিউব থেকে আয় করতে চাইলে যেসব বিষয় অবশ্যই জরুরীঃ

  • আপনার একটি এনড্রয়েড ফোন বা কম্পিউটার থাকতে  হবে ।
  • ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।
  • একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে ।
  • ইউটিউব চ্যানেলটি তে মনিটাইজেশন চালু করতে হবে ।
  • আপনি যে বিষয়ে ভিডিও বানাবেন সে বিষয়ে খুব স্বচ্ছ ভিডিও ক্যাপচার করতে হবে।
  • ক্যামেরা দিয়ে ক্যাপচার করা ভিডিওগুলা প্রফেশনাল মানের ইডিটিং করতে হবে।
  • ইডিটিং করা  ভিডিওগুলা নিজের চ্যানেলে আপলোড দিতে
  • আপনার চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিও  বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে আপনার ভিডিওর ভিউ বাড়াতে হবে।

 

ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম

ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম করার বিষয়টি হয়ত অনেকেই জানেন না। সত্যি কথা বলতে অনলাইন থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করার বিষয়টি অনেকের কাছে অবাক লাগলেও ঘটনাটি কিন্তু সত্যি। বর্তমানে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনাকে প্রতিদিন ভিডিও দেখার জন্য পেমেন্ট করা হবে। 

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) করে আয়

এটি অনেক সহজ একটি মাধ্যম। কিন্তু সাধারন মানুষের অনেকেরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারনা না থাকার কারনে এই কাজে তেমন আগ্রহ প্রকাশ করছেনা। আসুন বিষয়টা খুব সহজে বুঝে নেই।

বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার ই-কমার্স (E-Commerce) সাইট রয়েছে। এদের ভেতরে অনেকগুলো আবার সারা বিশ্বেই পন্য ডেলিভারি দিয়ে থাকে। এইসব ই-কমার্স (E-Commerce) সাইটে প্রত্যেকটাতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) নামে একটি সেকশন রয়েছে।

আপনি সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজেই তাদের মেম্বার হয়ে যেতে পারেন। তারপর আপনার একটা গ্রুপ তৈরি করতে হবে বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে। এরকম গ্রুপ আমাদের প্রতিটি মানুষেরই আছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে।

এখন ওই নির্দিষ্ট ই-কমার্স (E-Commerce) সাইট থেকে আপনি বিভিন্ন পন্যের বিবরন সহ ওই লিঙ্ক কপি করে বিভিন্ন গ্রুপে পাঠাতে হবে। এবার ওখানে থেকে ওই লিঙ্কে ক্লিক করে যদি কেও পন্যটি কিনে তাহলে আপনি সেটার থেকে নির্দিষ্ট পরিমানের একটি কমিশন পাবেন।

কিছু জনপ্রিয় এফিলিয়েট প্লাটর্ফম:

  • Amazon Associates. (সবচাইতে বেশী পরিচিত)
  • eBay Partners.
  • Shopify Affiliate Program.
  • Click-bank.
  • Awin
  • ShareAsale
  • CJ Affiliate
  • Rakuten Affiliate Network
  • AvanGate ( 2Checkout )
  • LinkConnector
  •  RevenueWire

 

এনড্রোয়েড এপস থেকে ইনকাম

অপনি হয়তো আপনার বন্ধু বান্ধব বা প্রতিবেশী বা যেকোন মাধ্যম থেকে শুনেছে যে Android Apps ইনকাম করা যায়। হ্যা ভাই আপনি ঠিকই শুনেছেন। গুগল প্লে স্টোরে এমন অনেক এপস আছে যেগুলা ডাউনলোড করে আপনি ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন । তবে শুধু ডাউনলোড করলেই হবে না । এপস ডাউনলোড করার পর অনেক রকম কাজ করতে হয় । যেমন , এপ ডাউনলোডিং, এপস রেফার করা, ভিডিও দেখা ইত্যাদি । এই কাজ গুলি করার বিনিময়ে আপনি কিছু টাকা পাবেন ।

জনপ্রিয় অনলাইন ইনকাম এপস

  • Meesho
  • Google’s Opinion Rewards
  •  Picxele
  • Make Money – Free Cash App
  • frapp
  • Foap – sell your photos
  • Perk app
  •  Cointiply
  •  Swagbucks
  • True balance 

অনলাইন ইনকাম ও বিকাশ, নগদ পেমেন্ট

একটা বিষয় সর্ম্পকে আপনাদের পরিষ্কার ধারনা থাকা উচিত। অনলাইন ইনকাম করে বিকাশে বা নগদ  টাকা আনার ব্যাপারে আপনাদের অনেকেরই মনে একটি প্রশ্ন আসে যে অনলাইনে আয়কৃত টাকা কি সরাসরি বিকাশে বা নগদ আনার কোনো উপায় আছে?

এখানে কিছু বিষয় রয়েছে। আপনি কোন সাইট থেকে আয় করছেন, সাইটটি কি বাংলাদেশী কোনো এডমিন দ্বারা পরিচালিত কি না কিংবা তারা বিকাশ বা নগদ পেমেন্ট সার্পোট করে কি না ইত্যাদি বিষয়গুলোও এখানে খুব মুখ্য ভূমিকা পালন করে। 

এমন অনেক অনলাইন ইনকাম সাইট (Online Income Site) রয়েছে যেখানে তারা সরাসরি বিকাশে বা নগদ ক্যাশ উইথড্র করার সুযোগ দিয়ে থাকে। সে ধরনের কোনো ওয়েবসাইটে যদি আপনি কাজ করে থাকেন এবং সাইটটি যদি রিয়েল হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি বিকাশে বা নগদ পেমেন্ট নিতে পারবেন। 

এছাড়াও আপনি যদি কোনো বাহিরের দেশের কোনো ওয়েবসাইটে কাজ করে থাকেন যারা মূলত বিকাশে বা নগদ পেমেন্ট করে না বরং অন্য কোনো পেমেন্ট গেটওয়েতে (Payment Gateway) পেমেন্ট করে তাকে সেক্ষেত্রে আপনি কোনো থার্ড পার্টি ব্যবহার করে পেমেন্টটি রিসিভ (Receive) করতে পারেন। 

 

অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে

উপরে অনলাইন থেকে আয়ের যে বিষয়গুলো সর্ম্পকে আমরা আলোচনা করেছি সেই কাজগুলি করতে গেলে কিন্তু একটি মোবাইলের থেকে একটি কম্পিউটার হলেই আপনার জন্য বেশি ভালো হবে। 

আমি বলছি না যে মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে একদমই আয় করা যাবে না। অনেক বড় বড় ইউটিউবার রয়েছেন যারা শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে ভিডিও করেই আজকে অনেক লাখ লাখ সাবস্ক্রাইবার ও ভিউস পেয়েছেন।

এমনও অনেকে রয়েছেন যারা শুধুমাত্র একটি মোবাইল দিয়েই ফেসবুক একটি পেজ পরিচালনার মাধ্যমে তাদের অনলাইন ব্যবসা দিনকে দিন বড় করেই তুলছেন। 

কিন্তু সত্যি কথা বলতে আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই অনলাইন থেকে ভালো আয় করতে চান তাহলে কিন্তু আপনার অবশ্যই একটি ভালো মানের কম্পিউটারের প্রয়োজন পড়বে। নতুবা আপনার পক্ষে প্রফেশনালভাবে অনলাইনে কাজ করাটা অনেকটাই কষ্টকর হয়ে যাবে। 

শেষ কথাঃ

এতক্ষণ যারা ধৈর্য্য ধরে পুরো লেখাটা পড়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।অনলাইন ইনকাম (Online Income) বর্তমানে বহুল প্রচলিত একটি বিষয় যা ঘরে বসে ইনকাম এবং নিজেই নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম একটি মাধ্যম। হাজার হাজার বেকার যুবক এখন বসে না থেকে এই পথে নেমেছে। যাহোক, এই ছিলো মূলত আমাদের আজকের আলোচনা।